সুখ সামান্য সময়ের মনের প্রশান্তি.. যার অনুভবে আগামীর অনেকটা পথ চলা... স্মৃতি যা শুধু ভাবিয়ে শিহরণ জাগায়.... আর দুঃখ যা শুধু আপন থাকে
শনিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১২
বুধবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১২
Old Dhaka- Through my eyes
Few days ago, I went to old Dhaka with Anindya. Anindya is one of my younger brother and one of my best friend. It was noon, when the sun was exactly over our head. It was really hot, we were burning up at the time. But we are Enjoying the time. Actually, we went to eat ''Haji Biriyani''. when we reached infront of that resturant, the resturant was close. so, we don't understnad what we are doing that moment...! Then we decided, we are going to ''Ahsan Monjil''.
শুক্রবার, ১২ অক্টোবর, ২০১২
ভালোবাসা
ভালোবাসার
মাঝে কখনো সুখ, কখনো দুঃখ
ভালবাসা কখনো
হাসায়, কখনো দুঃখ দেয়।
ভালবাসার মানুষ যখন অবজ্ঞা করে তখন কেমন কষ্ট হয়
বুঝি,
ভালবাসার মানুষকে ভুলেথাকার ভান করা যায়, ভুলা যায় না।
ভালবাসার মানুষকে ভুলেথাকার ভান করা যায়, ভুলা যায় না।
ভালোবাসার সংজ্ঞা বিতর্ক,অনুমান এবং অন্তর্দর্শনের উপর প্রতিষ্ঠিত। অনেকেই ভালোবাসার মত একটি সর্বজনীন
ধারণাকে আবেগপ্রবন ভালোবাসা, কল্পনাপ্রবন ভালোবাসা কিংবা
প্রতিশ্রুতিপূর্ণ ভালোবাসা এসব ভাগে ভাগ করার পক্ষপাতী নন। তবে এসব ভালোবাসাকে
শারীরিক আকর্ষনের উপর ভিত্তি করে শ্রেণীবিন্যাস করা যেতে পারে। সাধারণ মতে, ভালোবাসাকে একটি ব্যক্তিগত অনুভূতি হিসেবে বিবেচনা করা হয় যেটা একজন মানুষ
অপর আরেকজন মানুষের জন্য অনুভব করে। কারোপ্রতি অতিরিক্ত যত্নশীলতা কিংবা
প্রতিক্ষেত্রে কারো উপস্থিতি অনুভব করা ভালোবাসার সাথেই সম্পর্কযুক্ত। অধিকাংশ
কথ্য ধারণায়,ভালোবাসা নিঃস্বার্থতা, স্বার্থপরতা, বন্ধুত্ব,
মিলন, পরিবার এবং বন্ধনের সাথে গভীরভাবে যুক্ত।
বুধবার, ২৯ আগস্ট, ২০১২
The Endless wait বা অন্তহীন
অন্তহীন, অদ্ভুত সুন্দর একটা
মুভি।
যতবারই মুভিটা
দেখেছি ততবারই
ভালো
লেগেছে। মানুষের সম্পর্ক যে
এমন অদ্ভুত
হতে পারে
সত্যিই আমার
জানা ছিলো
না।
সত্যিই মানুষের সম্পর্ক গুলো এমনই! আমাদের শহর
জীবন আর
সম্পর্কের নানা জটিল বিষয় উঠে
এসেছে এই
ছবিতে।
দেখানো হয়েছে
আমাদের জীবনে
সম্পর্কের জটিলতাকে আর আমাদের একা
থাকতে চাওয়ার
প্রবনতাকে।
এই অন্তহীন বা The Endless Wait আসলে কিসের
জন্য ? হয়ত সঠিক মানুষের জন্য (For The Right Person)! আমরা একা
থাকতে চাই। চলে
যেতে চাই
দূরে একে
অপর থেকে। কিন্তু
আসলেই কি
আমরা পারি
একা থাকতে?
পারলেও বা
কতটা? অনেক
অনেক সময়
এই দূরে
সরে থাকতে
চাওয়াটাই আমাদেরকে আরও তার কাছাকাছি
নিয়ে আসে। তাই
সম্পর্কের মাঝে দূরত্বটাও
জরুরি।
এটা একজন
মানুষকে অপরের
প্রয়োজনীয়তা বুঝতে সাহায্য করে।
আসলে এই
পৃথিবীতে আসলেই
কেউ একা
নয়।
কিছু কিছু
মানুষ নিজেকে
একা ভাবতে
ভালোবাসে মাত্র।
বুধবার, ২৫ জুলাই, ২০১২
ও কারিগর, দয়ার সাগর, ওগো দয়াময় চান্নি পসর রাইতে যেন আমার মরণ হয়......
সোমবার, ১৮ জুন, ২০১২
হাদীসের নির্বাচিত দোয়াসমূহ
(১) হে আল্লাহ, দৃষ্টির
অন্তরালবর্তী ও দৃষ্টিগ্রাহ্য সকল বিষয়ে যেন তোমাকে ভয় করতে পারি হে আল্লাহ, যদি জীবন আমার জন্য কল্যাণকর হয়, তাহলে আমাকে জীবিত রাখ, আর যদি মৃত্যু
আমার জন্য কল্যাণকর হয় তাহলে আমাকে মৃত্যু দান কর। সেই তাওফিক প্রার্থনা করি। আমি
তোমার নিকট প্রার্থনা করি সত্য কথা বলার তাওফিক, খুশি ও ক্রোধ উভয় অবস্থাতেই। আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করি মিতব্যয়িতার, সচ্ছল-অসচ্ছল উভয়াবস্থায়। প্রার্থনা করি এমন নেয়ামত যা শেষ হবার নয়।
প্রার্থনা করি যা চক্ষু জুড়াবে অনিঃশেষভাবে। আমি তোমার নিকট চাই তকদিরের প্রতি
সন্তুষ্টি। আমি তোমার নিকট চাই মৃত্যুর পর সুখময় জীবন। আমি তোমার নিকট কামনা করি
তোমাকে দেখার তৃপ্তি,আমি কামনা করি তোমার
সহিত সাক্ষাৎ লাভের আগ্রহ-ব্যাকুলতা যা লাভ করলে আমাকে স্পর্শ করবে না কোন অনিষ্ট,আর আমাকে সম্মুখীন হতে হবে না এমন কোন ফেৎনার যা আমাকে পথভ্রষ্ট করতে পারে।
হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে ঈমানের অলংকার দ্বারা বিভূষিত
কর আর আমাদেরকে বানাও পথ প্রদর্শক ও হেদায়েতের পথিক। --নাসায়ি : ৫৪/৩
(২) হে আল্লাহ, তুমি আমার প্রভু তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ আর আমি
হচ্ছি তোমার বান্দা এবং আমি আমার সাধ্য-মত তোমার প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ
রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হতে তোমার আশ্রয় ভিক্ষা করি। আমার প্রতি তোমার
নিয়ামতের স্বীকৃতি প্রদান করছি, আর আমি আমার গুনাহ-খাতা
স্বীকৃতি করছি। অতএব তুমি আমাকে মাফ করে দাও নিশ্চয়ই তুমি ভিন্ন আর কেউ গুনাহ
মার্জনাকারী নেই।--বোখারি : ৫৮৩১
(৩) হে আল্লাহ, আমি তোমার নিকট আশ্রয়
প্রার্থনা করছি পদস্খলন অথবা পদস্খলিত হওয়া থেকে। পথ হারিয়ে ফেলা অথবা অন্য
কর্তৃক পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে। কারও উপর জুলুম করা থেকে অথবা কারো নির্যাতিত হওয়া
থেকে। কারও সাথে মূর্খতা-পূর্ণ আচরণ করা থেকে অথবা অন্যের মূর্খতা-জনিত আচরণে
আক্রান্ত হওয়া থেকে।--নাসায়ি : ৫৩৯১
(৪) হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট
উপকারী বিদ্যা, গ্রহণযোগ্য আমল এবং পবিত্র জীবিকা প্রার্থনা
করি।--ইবনে মাজা
: ৯১৫
(১) হে আল্লাহ, দৃষ্টির
অন্তরালবর্তী ও দৃষ্টিগ্রাহ্য সকল বিষয়ে যেন তোমাকে ভয় করতে পারি হে আল্লাহ, যদি জীবন আমার জন্য কল্যাণকর হয়, তাহলে আমাকে জীবিত রাখ, আর যদি মৃত্যু
আমার জন্য কল্যাণকর হয় তাহলে আমাকে মৃত্যু দান কর। সেই তাওফিক প্রার্থনা করি। আমি
তোমার নিকট প্রার্থনা করি সত্য কথা বলার তাওফিক, খুশি ও ক্রোধ উভয় অবস্থাতেই। আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করি মিতব্যয়িতার, সচ্ছল-অসচ্ছল উভয়াবস্থায়। প্রার্থনা করি এমন নেয়ামত যা শেষ হবার নয়।
প্রার্থনা করি যা চক্ষু জুড়াবে অনিঃশেষভাবে। আমি তোমার নিকট চাই তকদিরের প্রতি
সন্তুষ্টি। আমি তোমার নিকট চাই মৃত্যুর পর সুখময় জীবন। আমি তোমার নিকট কামনা করি
তোমাকে দেখার তৃপ্তি,আমি কামনা করি তোমার
সহিত সাক্ষাৎ লাভের আগ্রহ-ব্যাকুলতা যা লাভ করলে আমাকে স্পর্শ করবে না কোন অনিষ্ট,আর আমাকে সম্মুখীন হতে হবে না এমন কোন ফেৎনার যা আমাকে পথভ্রষ্ট করতে পারে।
হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে ঈমানের অলংকার দ্বারা বিভূষিত
কর আর আমাদেরকে বানাও পথ প্রদর্শক ও হেদায়েতের পথিক। --নাসায়ি : ৫৪/৩
(২) হে আল্লাহ, তুমি আমার প্রভু তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ আর আমি
হচ্ছি তোমার বান্দা এবং আমি আমার সাধ্য-মত তোমার প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ
রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হতে তোমার আশ্রয় ভিক্ষা করি। আমার প্রতি তোমার
নিয়ামতের স্বীকৃতি প্রদান করছি, আর আমি আমার গুনাহ-খাতা
স্বীকৃতি করছি। অতএব তুমি আমাকে মাফ করে দাও নিশ্চয়ই তুমি ভিন্ন আর কেউ গুনাহ
মার্জনাকারী নেই।--বোখারি : ৫৮৩১
(৩) হে আল্লাহ, আমি তোমার নিকট আশ্রয়
প্রার্থনা করছি পদস্খলন অথবা পদস্খলিত হওয়া থেকে। পথ হারিয়ে ফেলা অথবা অন্য
কর্তৃক পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে। কারও উপর জুলুম করা থেকে অথবা কারো নির্যাতিত হওয়া
থেকে। কারও সাথে মূর্খতা-পূর্ণ আচরণ করা থেকে অথবা অন্যের মূর্খতা-জনিত আচরণে
আক্রান্ত হওয়া থেকে।--নাসায়ি : ৫৩৯১
(৪) হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট
উপকারী বিদ্যা, গ্রহণযোগ্য আমল এবং পবিত্র জীবিকা প্রার্থনা
করি।--ইবনে মাজা
: ৯১৫
শুক্রবার, ১৫ জুন, ২০১২
আষাঢ় বন্দনা
বৃষ্টি হোক বা না হোক আজ আষাঢ়ের প্রথম দিন। ষড়ঋতুর পর্যায়ক্রমে
বাংলার প্রকৃতিতে দ্বিতীয় ঋতু হিসেবে বর্ষার আগমন ঘটেছে। প্রচণ্ড গরম দিয়ে
গ্রীষ্মের বিদায় হলেও আজ বর্ষার প্রথম দিনের
ভোর থেকেই রাজধানীতে সূর্য উঠেনি। সূর্যও যেন বর্ষাকে বরণ করে নিয়েছে। কালো মেঘে ঢাকা সমস্ত আকাশ। এমন মুখর পদধ্বনি,
এমন
গম্ভীর প্রকাশবার্তা আর কোনো ঋতুর নেই। তাই বসন্তকে যদি ঋতুরাজ
বলা যায়, বর্ষা হল ঋতুরানী।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)






