১. উপর দিয়ে যতই ফিটফাট থাকুন না কেন, প্রত্যেক ব্যাচেলরের বিছানার উপর দেখবেন, লুঙ্গি গোল করে পড়া আছে।লুঙ্গি চেন্জ করে প্যান্ট পড়ার পর, লুঙ্গি গুছিয়ে রাখার মত পর্যাপ্ত সময় ব্যাচেলরদের হাতে থাকে না! তাছাড়া, আরেকটা সুবিধা হচ্ছে, বাইরে থেকে এসেই আবার সেই "গোল করা" লুঙ্গির ভিতর ঢুকে
পড়া যায়! ইটস সিম্পল!
২. ব্যাচেলর সাহেবদের শার্ট, টিশার্ট থাকবে ঝকঝকে। কিন্তু প্যান্ট! একমাস ধরে একই জিন্স প্যান্টের উপর অত্যাচার চলে। দুর্গন্ধ সৃষ্টি হলে, সেন্ট মারলে ঝামেলা শেষ। দারুণ!
৩. ধরুন,
মেস বা
হোস্টেলের একজনের ভাইভা আছে কিংবা "বালিকাবন্ধু"র
সাথে ১ম সাক্ষাত করতে যাবেন! ব্যাস, ধার করার হিড়িক পড়ে যাবে। নিজের ভালো ড্রেস থাকা সত্বেও অমুকের প্যান্ট, তমুকের শার্ট,আরেকজনের সু ধার করে
নিয়ে যাবেনই।
৪. মেসে
যদি বুয়া না আসে, সেদিন লঙ্কাকান্ড হয়।নিজেরাই তখন কুক। কেউ হয়ত পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে
চোখের জলে বুক ভাসাবেন, আরেকজন আলু কাটতে
গিয়ে নিজের আঙ্গুল কাটবেন, আরেকজন হয়ত গরম
পাতিলে হাত পূড়বেন। অবশেষে যুদ্ধ জয়।
স্বাদ যেমনই হোক, সবাই বলবে, উফফ
৫.
পত্রিকা নিয়ে কারো মাথাব্যাথা নেই। কিন্তু একজন পত্রিকা পড়া শুরু করলে সবার তখন আগ্রহ বেড়ে যায়। টানাটানি শুরু হয়।
২. ব্যাচেলর সাহেবদের শার্ট, টিশার্ট থাকবে ঝকঝকে। কিন্তু প্যান্ট! একমাস ধরে একই জিন্স প্যান্টের উপর অত্যাচার চলে। দুর্গন্ধ সৃষ্টি হলে, সেন্ট মারলে ঝামেলা শেষ। দারুণ!
দারুণ
হইছে।



