শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০১১

শুধুই স্মৃতি.....


আজ আমার ছোট্ট বারান্দায় ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে। আসলে কাল রাতে কোথ থেকে এক দল মেঘ হুট করে আমার জানালার পাশে এসে আমার এক চিলতে দুঃখ নিয়ে গেল। তাই আজ তারা কাঁদছে। মেঘের অমন কান্না দেখে একটি জোনাকি আমায় জিজ্ঞেস করল, তুমি কেন অমন করে কাদনা। বোকা জোনাকিকে কি করে বুঝাই যে, আমার কাঁদতে ভয় হয় যদি তোর স্মৃতি গুলো আমার অশ্রুর সঙ্গে ধুয়ে যায়। তাই আমি কাঁদি না।
তুই একদিন বলেছিলি, তুই পরজন্মে সপ্ন হয়ে অথবা জ্যোৎস্না হয়ে আমার কাছে ফিরে আসবি। তোর আশায় তাই এখনো রাতের বেলা নৈঃশব্দের গান শুনতে চেষ্টা করি। নির্ঘুম রাত গুলোয় চলে মিষ্টি সপ্ন দেখার প্রচেষ্টা। তুই কি ফিরে আসবি...???? 

রবিবার, ৩ জুলাই, ২০১১

হারিয়ে যাওয়া ......


একটা খোলা মাঠ।  সারা মাঠ জুড়ে ঘন সবুজ ঘাস। কিন্তু অন্ধকারের কারনে সবুজ রংটা কে কাল মনে হচ্ছে। কিন্তু কাল হয়ে ও বোঝা যাছে ঘাস গুলো অনেক সতেজ।  আশেপাশে কোন আলো নেই। মাঝে মাঝে কয়েকটা জোনাকী পোকার আলো জ্বলছে আর নিভছে। অনেক দিন পর জোনাকী পোকা দেখলাম। ভাল লাগছে দেখতে। একবার মনে হল একটা জোনাকী পোকা ধরি। ছোটবেলা কত জোনাকি পোকা ধরে ছিলাম। কিন্তু আজ জোনাকি পোকা ধরতে ইচ্ছা করছে না। কারন এখন আমি আগের মত ছোট নেই। কথায় আছে না বনের পশু বনেই মানায়। ঘুরে বেড়াক না পোকা গুলো। আমি মনোযোগ দিয়ে জোনাকি পোকা গুলোর দিকে তাকিয়ে আছি।


শুক্রবার, ১ জুলাই, ২০১১

আমার মনের মোহের মাধুরী মাখিয়া রাখিয়া দিয়ো– তোমার অঙ্গসৌরভে

ভালোবেসে, সখী, নিভৃতে যতনে
আমার নামটি লিখোতোমার
মনের মন্দিরে
আমার পরানে যে গান বাজিছে
তাহার তালটি শিখোতোমার
চরণমঞ্জীরে
ধরিয়া রাখিয়ো সোহাগে আদরে
আমার মুখর পাখিতোমার
প্রাসাদপ্রাঙ্গণে
মনে করে সখী, বাঁধিয়া রাখিয়ো
আমার হাতের রাখীতোমার
কনককঙ্কণে
আমার লতার একটি মুকুল
ভুলিয়া তুলিয়া রেখোতোমার
অলকবন্ধনে
আমার স্মরণ শুভ-সিন্দুরে
একটি বিন্দু এঁকোতোমার
ললাটচন্দনে
আমার মনের মোহের মাধুরী
মাখিয়া রাখিয়া দিয়োতোমার

মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০১১

তবুও ভালবাসি…..


আজকাল দুয়ার খুলে দিনের আলো দেখতে ইচ্ছে হয় না। দিন শেষে বিকেলের নিস্তেজ সূর্যের মিষ্টি আলো গায়ে মেখে বারান্দায় দাঁড়াতে মন চায় না। মন চায় না জোসনা রাতে গুন গুনিয়ে গান গাইতে। এখন মধ্য রাতে বৃষ্টি হলে আমার কাঁদতে ইচ্ছে করে। আর তোমাকে ভীষণ মনে পরে। মনে পরে সেই পুরনো কথা গুলো,

তুমি বলেছিলে বৃষ্টি ভালবাস
ভালবাস বৃষ্টির কোমল, কঠিন ভালবাসা
ঠিক আছে, একদিন আমিই না হয় মেঘ হব
আকাশ কালো করে আসব একদিন
ঝরে পড়ব অবিশ্রান্ত ধারায়.
তোমার শৈশবের খেলার উঠোনে, তোমার কৈশরের খেয়ালী মনে
উথাল পাথাল ঢেউয়ে ভাসাবো তোমার হৃদয়, আর ডুবাবো
একদিন আমিই না হয় মেঘ হব।। 

সব কিছু থাকা সত্ত্বেও নিজেকে নিঃস্ব মনে হয়!! কার স্মৃতি আমাকে এতটা অনুভূতিহীন করে গেছে, তা কি তুমি জানো ? তুমি কি কখনো অনুভব করেছ, আমার মুখের সেই সুন্দর হাসি কার জন্য ? মনে হয় না !! যদি তুমি বুঝতে তাহলে আমার এলোমেলো জগতটাকে আরও বেশি এলোমেলো করে দিয়ে এত দূরে চলে যেতে পারতেনা। এ আমার ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। তবুও তোমায় ভালবাসি….

সোমবার, ২৭ জুন, ২০১১

ফেসবুক আছে তাই…..


বাহ ! বিশ্বের সংগে তাল মিলিয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে । ভাবতে ভালোই লাগে। ভেবে দেখুন, দেশে মশা-মাছির মতো ফেসবুকের জনপ্রিয়তা চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়ে চলেছে । দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকে একটা অ্যাকাউন্ট নেই, কিন্তু ফেসবুকে বেশ কয়েকটা অ্যাকাউন্ট আছে । এমন লোকের সংখ্যাও খুব একটা কম নয় । 
আর ফেসবুকের যে ব্যাপক উপকারিতা, তাতে জনপ্রিয়তা না বেড়ে উপায় কী ? এমনিতে আপনার পাঁচ পয়সা ও দাম নেই। সমাজে নেই কোনো মানমর্যাদা। কিন্তু এই নিষঠুর সমাজ না বুঝলেও ফেসবুক আপনাকে ঠিকই বুঝবে। কারণ ফেসবুকে আর কিছু থাক বা না থাক, আপনার একটা স্ট্যাটাস আছে। শুধু তাই না, একটা বাড়ির জন্য মানুষ কত কষট করে, অথচ ফেসবুকে বাড়ি অথাৎ হোম আছে। লগইন করলেই দেখতে পাবেন হোম পেইজ। বিয়ে কিংবা চাকরি যেটাই করতে চান, কাজি না লাগতে পারে, অফিস না লাগতে পারে, কিন্তু সব জায়গাতেই আপনার একটা প্রোফাইল লাগবে। সেটাও ফেসবুকে আছে।

আর মানুষ সামাজিক জীব, সে একা বাস করতে পারে না, তার বন্ধু প্রয়োজন – এসব তো সবাই জানে। কিন্তু বন্ধু পাবেন কোথায় ? কোথায় আর, এই ফেসবুকে। আহা কী দুনিয়া আইলো রে ভাই! এক ফেসবুকে বন্ধু, প্রোফাইল, হোম, স্ট্যাটাস সবই আছে, জনপ্রিয়তা তো বাড়বেই। তবে কয়েকটি বিশেষ মহল ফেসবুকের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের ধারণা ফেসবুকের কারণে টেক্সটবুকের ব্যবহার কমে আসছে। এহ ! ফেসবুক আসার আগে সবাই মনে হয় টেক্সটবুক পড়ে আইনস্টাইন হয়ে গিয়েছিল। এ দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে টেক্সটবুকের গুরুত্বটা কেমন, তা কি আমরা জানি না ভেবেছেন? আসলে ভালো জিনিস নিয়ে অপপ্রচার হবেই। এটাই নিয়ম। অতএব যে যা-ই বলুক, ফেসবুক একটা ভালো জিনিস।
ডানপক্ষ = বামপক্ষ ( প্রমাণিত )

সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০১১

Need For Chaudhuri


Balahak Nandi
His name is Nirad C. Chaudhuri. His common Name is Balahak Nandi. He is a good writer, was born in 1897 in Kishorganj, a small town in present Bangladesh. He ia a Politician, Journalist , Itterateur,Singer and critic man.  He is a perfect Bangali but Englishman. After rabinranath he is one of the man who illuminate the west country. He is very famous man in Bangali-Englishman or Englishman-Bangali. He changed in Indian culture.
‘’A professor of Cambridge university he said, Mr. Chaudhuri’s being an Indian, and a Bengali, and Englishman, All at the same time, is unique. He is perhaps the only one of his kind and there is no established name for the likes of him. Perhaps the old designation of citizen of the world is the only one available.. Mr. Chaudhuri is the real thing.’’
He wrote a some book such as ,The Autobiography of an unknown Indian , A passage to England, and The continent of circe etc.
So we need a another Nirad who changed in Bangladeshi people and changed Bangladesh. Allah please give us a another Nirad. 

বুধবার, ২২ জুন, ২০১১

অচেনা ভালবাসা


ওদের অভিজাত পাড়ায় জোসনা স্নাত পূর্ণিমার চাঁদটাকে সে প্রায়ই দেখতে পেতনা। আলোকজ্জল বিল্ডিং এর ভিড়ে রুপালি চাঁদটা দৃষ্টিগোছর হয় না। ও জানে না চাঁদের আলোয় ওকে কত মায়াময় লাগে। ও শুধু জানে সোডিয়াম আলোর নিজেকে রক্তশূণ্য লাগে। সে কখনোই ঝিঝির ডাক শোনে না। মাঝ রাতে ও শুধু নাইট গার্ডের হুইসেল এর শব্দ শুনে। বৃষ্টির পানিতে পা ভেজালে মুখ বাকিয়ে বলতো, কাঁদা যেওনা। ও ভিজত সাততলা বিল্ডিং এর ছাদে। আজি ঝর ঝর মুখরো বাদল দিনে ও কখনোই শোনেনি। বৃষ্টির  দিনে সে হয়তো লিংকিন পারকের নতুন গান খুঁজে। ও কি জানে চাঁদের আলোয় তাকে কত অপূর্ব  লাগে? বৃষ্টির দুতিন ফোটা মুখে পরলে তার ভুবন ভোলানো হাসিটা কেমন লাগে? ওর প্রতিক্ষায় আমি আজীবন আছি। ও হয়তো কোনোদিন জানবে না। অনেকবার বৃষ্টি ভেজা শ্রাবনের ১৭টি কদম ফুল ওকে দিতে চেয়েছি, কিন্তু পারি নি ।শুধু

''আজিকে বাহিরে ক্রদন ছল ছল জলধারে
বেনু বনে বায়ু নাড়ে এলোকেশে মন যেন চায় কারে''