সুখ সামান্য সময়ের মনের প্রশান্তি.. যার অনুভবে আগামীর অনেকটা পথ চলা... স্মৃতি যা শুধু ভাবিয়ে শিহরণ জাগায়.... আর দুঃখ যা শুধু আপন থাকে
বুধবার, ২৫ জুলাই, ২০১২
সোমবার, ১৮ জুন, ২০১২
হাদীসের নির্বাচিত দোয়াসমূহ
(১) হে আল্লাহ, দৃষ্টির
অন্তরালবর্তী ও দৃষ্টিগ্রাহ্য সকল বিষয়ে যেন তোমাকে ভয় করতে পারি হে আল্লাহ, যদি জীবন আমার জন্য কল্যাণকর হয়, তাহলে আমাকে জীবিত রাখ, আর যদি মৃত্যু
আমার জন্য কল্যাণকর হয় তাহলে আমাকে মৃত্যু দান কর। সেই তাওফিক প্রার্থনা করি। আমি
তোমার নিকট প্রার্থনা করি সত্য কথা বলার তাওফিক, খুশি ও ক্রোধ উভয় অবস্থাতেই। আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করি মিতব্যয়িতার, সচ্ছল-অসচ্ছল উভয়াবস্থায়। প্রার্থনা করি এমন নেয়ামত যা শেষ হবার নয়।
প্রার্থনা করি যা চক্ষু জুড়াবে অনিঃশেষভাবে। আমি তোমার নিকট চাই তকদিরের প্রতি
সন্তুষ্টি। আমি তোমার নিকট চাই মৃত্যুর পর সুখময় জীবন। আমি তোমার নিকট কামনা করি
তোমাকে দেখার তৃপ্তি,আমি কামনা করি তোমার
সহিত সাক্ষাৎ লাভের আগ্রহ-ব্যাকুলতা যা লাভ করলে আমাকে স্পর্শ করবে না কোন অনিষ্ট,আর আমাকে সম্মুখীন হতে হবে না এমন কোন ফেৎনার যা আমাকে পথভ্রষ্ট করতে পারে।
হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে ঈমানের অলংকার দ্বারা বিভূষিত
কর আর আমাদেরকে বানাও পথ প্রদর্শক ও হেদায়েতের পথিক। --নাসায়ি : ৫৪/৩
(২) হে আল্লাহ, তুমি আমার প্রভু তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ আর আমি
হচ্ছি তোমার বান্দা এবং আমি আমার সাধ্য-মত তোমার প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ
রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হতে তোমার আশ্রয় ভিক্ষা করি। আমার প্রতি তোমার
নিয়ামতের স্বীকৃতি প্রদান করছি, আর আমি আমার গুনাহ-খাতা
স্বীকৃতি করছি। অতএব তুমি আমাকে মাফ করে দাও নিশ্চয়ই তুমি ভিন্ন আর কেউ গুনাহ
মার্জনাকারী নেই।--বোখারি : ৫৮৩১
(৩) হে আল্লাহ, আমি তোমার নিকট আশ্রয়
প্রার্থনা করছি পদস্খলন অথবা পদস্খলিত হওয়া থেকে। পথ হারিয়ে ফেলা অথবা অন্য
কর্তৃক পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে। কারও উপর জুলুম করা থেকে অথবা কারো নির্যাতিত হওয়া
থেকে। কারও সাথে মূর্খতা-পূর্ণ আচরণ করা থেকে অথবা অন্যের মূর্খতা-জনিত আচরণে
আক্রান্ত হওয়া থেকে।--নাসায়ি : ৫৩৯১
(৪) হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট
উপকারী বিদ্যা, গ্রহণযোগ্য আমল এবং পবিত্র জীবিকা প্রার্থনা
করি।--ইবনে মাজা
: ৯১৫
(১) হে আল্লাহ, দৃষ্টির
অন্তরালবর্তী ও দৃষ্টিগ্রাহ্য সকল বিষয়ে যেন তোমাকে ভয় করতে পারি হে আল্লাহ, যদি জীবন আমার জন্য কল্যাণকর হয়, তাহলে আমাকে জীবিত রাখ, আর যদি মৃত্যু
আমার জন্য কল্যাণকর হয় তাহলে আমাকে মৃত্যু দান কর। সেই তাওফিক প্রার্থনা করি। আমি
তোমার নিকট প্রার্থনা করি সত্য কথা বলার তাওফিক, খুশি ও ক্রোধ উভয় অবস্থাতেই। আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করি মিতব্যয়িতার, সচ্ছল-অসচ্ছল উভয়াবস্থায়। প্রার্থনা করি এমন নেয়ামত যা শেষ হবার নয়।
প্রার্থনা করি যা চক্ষু জুড়াবে অনিঃশেষভাবে। আমি তোমার নিকট চাই তকদিরের প্রতি
সন্তুষ্টি। আমি তোমার নিকট চাই মৃত্যুর পর সুখময় জীবন। আমি তোমার নিকট কামনা করি
তোমাকে দেখার তৃপ্তি,আমি কামনা করি তোমার
সহিত সাক্ষাৎ লাভের আগ্রহ-ব্যাকুলতা যা লাভ করলে আমাকে স্পর্শ করবে না কোন অনিষ্ট,আর আমাকে সম্মুখীন হতে হবে না এমন কোন ফেৎনার যা আমাকে পথভ্রষ্ট করতে পারে।
হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে ঈমানের অলংকার দ্বারা বিভূষিত
কর আর আমাদেরকে বানাও পথ প্রদর্শক ও হেদায়েতের পথিক। --নাসায়ি : ৫৪/৩
(২) হে আল্লাহ, তুমি আমার প্রভু তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ আর আমি
হচ্ছি তোমার বান্দা এবং আমি আমার সাধ্য-মত তোমার প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ
রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হতে তোমার আশ্রয় ভিক্ষা করি। আমার প্রতি তোমার
নিয়ামতের স্বীকৃতি প্রদান করছি, আর আমি আমার গুনাহ-খাতা
স্বীকৃতি করছি। অতএব তুমি আমাকে মাফ করে দাও নিশ্চয়ই তুমি ভিন্ন আর কেউ গুনাহ
মার্জনাকারী নেই।--বোখারি : ৫৮৩১
(৩) হে আল্লাহ, আমি তোমার নিকট আশ্রয়
প্রার্থনা করছি পদস্খলন অথবা পদস্খলিত হওয়া থেকে। পথ হারিয়ে ফেলা অথবা অন্য
কর্তৃক পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে। কারও উপর জুলুম করা থেকে অথবা কারো নির্যাতিত হওয়া
থেকে। কারও সাথে মূর্খতা-পূর্ণ আচরণ করা থেকে অথবা অন্যের মূর্খতা-জনিত আচরণে
আক্রান্ত হওয়া থেকে।--নাসায়ি : ৫৩৯১
(৪) হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট
উপকারী বিদ্যা, গ্রহণযোগ্য আমল এবং পবিত্র জীবিকা প্রার্থনা
করি।--ইবনে মাজা
: ৯১৫
শুক্রবার, ১৫ জুন, ২০১২
আষাঢ় বন্দনা
বৃষ্টি হোক বা না হোক আজ আষাঢ়ের প্রথম দিন। ষড়ঋতুর পর্যায়ক্রমে
বাংলার প্রকৃতিতে দ্বিতীয় ঋতু হিসেবে বর্ষার আগমন ঘটেছে। প্রচণ্ড গরম দিয়ে
গ্রীষ্মের বিদায় হলেও আজ বর্ষার প্রথম দিনের
ভোর থেকেই রাজধানীতে সূর্য উঠেনি। সূর্যও যেন বর্ষাকে বরণ করে নিয়েছে। কালো মেঘে ঢাকা সমস্ত আকাশ। এমন মুখর পদধ্বনি,
এমন
গম্ভীর প্রকাশবার্তা আর কোনো ঋতুর নেই। তাই বসন্তকে যদি ঋতুরাজ
বলা যায়, বর্ষা হল ঋতুরানী।
সোমবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১২
বিচ্ছিন্ন যাতনার বহিঃপ্রকাশ
আমি কষ্ট একদম সহ্য করতে পারি না। আমার যেটা ভালো লাগে না, আমি যেটা চাই না
সেটাই আগে হয়। কারো চোখের পানি দেখলেই আমারও চোখে পানি চলে আসে। কারণে অকারণে
নিজেই কেঁদে ফেলি। কষ্ট গুলো কেনও এমন!! কষ্ট গুলো কেনও কষ্ট দেয়। ইদানিং মনে
হচ্ছে, আমি কষ্টের বেড়াজালে আটকা পড়েছি। মনে হয় আমার সব কিছু ঘিরেই কষ্ট! যেনও
কষ্টকে ঘিরেই আমি। আবার মনে হয়, আমার সব কিছু ঘিরেই কষ্টরা! কোন কিছুতেই মন বসাতে
পারছি না। কোন কারণ ছাড়াই কিছু ভালো লাগে না। লাইফের বর্তমান পরিস্থিতির দিকে
তাকালে সত্যি নিজের প্রতি নিজের করুণা হয়। এভাবে সময়গুলো কাটাতে হবে কখনো চিন্তাই
করিনি। আগের কথাগুলো মনে হলে আরও বেশী কষ্ট লাগে। নিজেই নিজের কাছে সান্ত্বনা
খুঁজে বেড়াই। কিন্তু সে সান্ত্বনা চোখের জল ফেলেই শেষ হয়।
রবিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১২
বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১২
আমার দিন আমার রাত
দিন যায় দিন আসে। কিভাবে কেটে যায় এক একটি দিন, বুঝতে পারি না! কিভাবে
বুঝবো, আমি তো আর সবার মত নয়। আমি সবার থেকে একটু হলে আলাদা। সত্যি আমি কেমন যেনও
হয়ে গেছি। সব কিছুই কেমন জানি মনে হয়। কোন কারণ ছাড়াই কোন কিছু ভালো লাগে না। আমি
বুঝতে পারি না কিছুই! তাই অনেকে আমাকে পাগল বলে, গাধা বলে। আমি এগুলোতে কোন আপত্তি
করিনা। কারণ, কারো কাছে যদি মনে হয় আমি তেমন তাহলে এখানে আমার কি করার আছে। তাই
আমিও তাতে সায় দেই। সে কথা আজকে আর বলছি না, ভালো লাগছে না সে কথা বলতে। অন্য কোন
দিন সুন্দর করে বর্বণা দিবো আমি কেমন!
এই তো সন্ধ্যায় পড়া শুরু করেছিলাম জাফর স্যারের রাতুলের দিন রাতুলের রাত
বইটা। বইটার নাম অনুকরণ করেই আমি শিরোনাম
দিলাম। সেটা হয়ত আগের লাইনটা পড়েই বুঝা যাচ্ছে। তারপরেও বলে দিলাম! কিছুক্ষণ আগেই
শেষ করলাম বইটা। অসাধারণ লাগলো বইটা।
শনিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১২
নব আনন্দে জাগো
শুভ নববর্ষ। আজ
পহেলা বৈশাখ, বাংলা দিনপঞ্জিকায় ১৪১৯ সালের প্রথম মাসের
প্রথম দিন। ঋতুরাজ বসন্তের রেশ কাটতে না কাটতে-ই সকলের অপেক্ষা নতুন বছরকে ঘিরে। বসন্ত কালের শেষ
সূর্যাস্তের সাঙ্গেই অতীতের ভুল ত্রুটি আর ব্যর্থতারগ্লানি নিয়ে মহাকালের স্রোতে বিলীন
হয়ে গেছে ১৪১৮সাল। সূর্যোদয়ের সহিত নবজীবনের উজ্জল বার্তা নিয়ে জাতীয় জীবনে ফিরে
এসেছে আবহমান বাংলার প্রিয় উৎসব, বাংলা নববর্ষ।
ঋতুর বিচিত্র রূপে রূপবতী আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি এ
বাংলাদেশ। ষড়ঋতুর চাকা ঘুরতে ঘুরতে আবার এসেছে বৈশাখ! বাঙ্গালী ঐতিহ্যের প্রাণের
উৎসব বাংলা নববর্ষ। বৈশাখের প্রথম দিনটিকে বরণ করে নিতে প্রকৃতিও যেন সাজে অপরূপ রূপে।
সকলের-ই প্রাণে বেজে ওঠে এসো হে বৈশাখ, এসো এসো...। সকল পেশার
প্রতিটি মানুষের মনে জেগে ওঠে বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের পরশ। ১৪১৯ সালের পহেলা বৈশাখের
এই মহেন্দ্র ক্ষণে সকলের প্রতি রইলো নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। শুভ নববর্ষ।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)




