শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৫

বিষন্ন দিন


অনেকদিন পর আজ আঝোরে কেঁদেছি। ভুলে গেছি কবে শেষ এভাবে ফুফিয়ে কেঁদেছিলাম। আমি মোটেও কাঁদতে চাইনি এভাবে। কিন্তু আমার আর সইছিলো না। আমি সাধারণ ভাবেই নরম প্রকৃতির মানুষ। তাই অল্পতেই মন খারাপ হয় অনেক।

গতকাল থেকেই ঝামেলা গুলো পিছু ছাড়ছে না। এমনি সেমিস্টার ফাইনাল চলছে। কুইজ, এসাইনমেন্ট, প্রজেক্ট, প্রেজেন্টেশানের ভীড়ে নিজেকে হারিয়ে খুঁজছি। গতকাল ছিলও একটা প্রেজেন্টেশান এবং একটা ফাইনাল। ফাইনাল নিয়ে যত বেশী টেনশন ছিলও না, তার চেয়ে বেশী টেনশন ছিলও প্রজেক্ট, প্রেজেন্টেশান নিয়ে।  গ্রুপের একজনের দায়িত্বে ছিলও রিপোর্ট আউটপুট এবং স্লাইড বানানো। আমার পক্ষ থেকে যা করার আমি সব তাকে দিয়েছি। সে সব রেডি করছে। মাঝে মাঝে ফোনে খোঁজ নিচ্ছি। সে কাজ করছে। সব ঠিকঠাক মত হয়ে যাবে।

সোমবার, ২ মার্চ, ২০১৫

A Day at the Dhaka Zoo, Mirpur


আজকে খুবই চমকার এবং ব্যস্ততম একটা দিন কাটালাম। চমকার হচ্ছে এজন্য যে, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত Dhaka Ahsania Mission (মহিলা মিশন) এর অধীনে থাকা কিছু এতিম বাচ্চাদের সাথে ঘুরাঘুরি, ছবি তোলা, খাওয়া দাওয়া এবং আনন্দময় কিছু সময় কাটানো। এই প্রথম অনেক এতিম বাচ্চাদের খুব কাছে যাবার সুযোগ হল।  খুব ভালো লেগেছে। এতিম বাচ্চাদের দিকে তাকালে অনেক খারাপ লাগে। তারা কিভাবে খাচ্ছে, কিভাবে ঘুমাচ্ছে, কে তাদের দেখাশুনা করছে, কার সাথে তারা তাদের কষ্ট, ভালোলাগা, মন্দলাগা শেয়ার করছে... কিভাবে একেকটা দিন পার করছে, নানা রকম ভাবনা মাথায় ঘুরে!

মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৫

আমার স্মৃতির বিষাদ গণিকারা



অসাধারণ একটি বই। নব্বই বছর বয়সী এক যুবকের আত্মকাহিনী নিয়ে রচিত বইটি। তার নব্বইতম জন্মদিনকে ঘিরে সমস্ত কাহিনীতে উঠে এসেছে তার সারা জীবনের অনেক স্মৃতিকথা।  তার নিষঙ্গ জীবনের কথা। সারা জীবনে সে সত্যিকার ভাবে সে কাউকে ভালোবাসতে পারেনি। তাই তার নব্বইতম জন্মদিনে তার ইচ্ছে হয়েছিলো উঠতি বয়সী কুমারী’কে ভালোবাসার।  তার এই প্রবল ইচ্ছাই তাঁকে তার ভালোবাসার কাছে নিয়ে গিয়েছিলো। খুব আগ্রহের সাথে বইটি পড়ে শেষ করলাম। খুব ভালো লেগেছে। 

গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস’কে আমি জানতাম না। মার্কেস মারা যাবার পরই তাঁকে জানলাম।  তার নিঃসঙ্গতার একশো বছর এবং আমার স্মৃতির বিষাদ গণিকারা এই দুটো বই পড়ে শেষ করেছি। অসাধারণ তার লিখা। যত পড়ছি তত মুগ্ধ হচ্ছি এবং তার ভক্ত হয়ে উঠছি।

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৫

রিয়েল লাইফ জোক্স

নতুন বছর শুরু হয়ে গেলো। কিছু একটা লিখবো করেও লিখতে পারছিলাম না। অবসর সময় কাটাচ্ছি যদিও। ভার্সিটিও বন্ধ। ঘুরাঘুরি, গান শুনা, বই পড়া, মুভি দেখে সময় পার করছি। হরতাল অবরোধে বাসায় বসে থাকতেও বিরক্ত লাগে।  তাই মাঝে মাঝে বের হয়ে যাই। এদিক ওদিক ঘুরাঘুরি করি। ঘুরাঘুরির মাঝেই শান্তি পাই। মাথায় তেমন কোন চিন্তা কাজ করেনা। নতুন নতুন অনেক কিছু দেখা যায়। পুরনো জিনিস গুলোও খারাপ লাগে না।  যাই হোক, এবার শুরু করলাম রিয়েল লাইফ জোক্স দিয়ে।

এক ভদ্র লোক অফিস শেষে বাসায় ফিরবেন। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে একটা বাসে মাথা গোজার ঠাই  করলেন।  বাস ভর্তি মানুষ। কোন রকমে উঠেই মহিলা আসনের সামনে দাঁড়ালেন। ভদ্র লোকের একটা বদঅভ্যাস তিনি খুব নড়াছড়া করেন। এক জায়গায় স্থির থাকতে পারেন না। 

মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৪

NSU সমাচার

NSU তে গতকাল যা দেখলাম! সকাল সাতটায় সময় মেইন গেটের সামনে বিশাল লাইন। প্রায় দুশত জনের মত বা তার বেশিও হতে পারে। আমরা তখনো লাইনে দাড়াইনি। এক ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলার জন্য সামনের দিকে এগিয়ে গেলাম। Mahtab গেলো তার আরেক ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলতে। হঠা করে মেইন গেট দিয়ে প্রবেশ করানো শুরু করলো। আর সবাই লাইন ভেঙ্গে যার যার মত দৌড়ে ঢুকে গেলো। কেউ Nac বিল্ডিং এর পাঁচ নাম্বার ফ্লোরের দিকে আবার কেউ রিসোর্সের দিকে। কেউ লিফটে, কেউ সিড়ি বেয়ে। লিফটে উঠে আরেক কাহিনী! কেউ লিফটের পেছন সাইডে যেতে চায় না। সবাই সামনে দাঁড়িয়ে আছে। কে আগে বের হয়ে আগে লাইন দিবে সেজন্য।  তারপর কোনরকমে উঠলাম। মোটামুটি লিফটের সামনেই জায়গা পেলাম। মনে মনে একটু স্বস্তি পেলাম, যে না আজকে Advising করতে পারবো কোর্স পাই আর না পাই।  তারপরে মাহতাব'কে ফোনে টেক্সট দিয়ে অবস্থান জানলাম। আমি তো ভেবেছিলাম বেচারা মনে হয় নাই হয়ে গেছে।:P পরে শুনলাম রিসোর্সে গিয়ে পিসির সামনেই বসে পড়ছে। তারপরে রুমে গিয়ে দেখি নাই নাই অবস্থা। কোন রকমে কোর্স নিয়ে বের হলাম। তারপরে তিন'টা পর্যন্ত Re-advising করে কোর্স মিলিয়ে বাসায় ফিরে আসলাম। কোর্স পাওয়ার খুশিতে মাহতাব আবার আল্লার দান-এ তেহারি খাওয়াইলো। ছেলেটা এমনি অনেক মহান।  

NSU যদি এভাবে চালাতে থাকে আমরা তো বেশি দিন বাঁচবো না মনে হয়। এমনি যায় যায় অবস্থা।
বিঃদ্রঃ এভাবে প্র্যাকটিস চলতে থাকলে NSU এর ছাত্র এবং ছাত্রীরা উসাইন বোল্টকে পেছনে ফেলে শীর্ষ দৌড়বিদ হয়ে বোল্টের ভাত মারবে। 

সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৪

অযাচিত কিছু কথা

আমার বাসা থেকে একটা সাইডে যেতে হলে হাতির ঝিল হয়েই যেতে হয়। যখন কোথাও যাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে হাতির ঝিল যাওয়া হয়, তখন মনে হয় না হাতির ঝিল গিয়েছি। শুধু মাত্র হাতির ঝিল’কে উদ্দেশ্য করে গেলেই মনে হয় হাতির ঝিল গিয়েছি। ইদানিং প্রতিদিনই হাতির ঝিলের উপর দিয়ে আসা যাওয়া হয়। আগে শুধু মাঝে মাঝে রাতে একটু হাটাহাটির জন্য যেতাম বা মন খারাপ হলে, ভালো না লাগলে যেতাম। এই হাতির ঝিলে আসা যাওয়ার কারণে পুরোনো একটা অনুভূতি মোটামুটি প্রতিদিনই মনে হয়। আগে যখন মাঝে মাঝে ধানমন্ডি লেক যেতাম তখন এই অনুভূতিটা হত।

বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৪

প্রথম আলোর জন্মদিনে


শেষ কবে শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নীলক্ষেত এলাকায় গিয়েছিলাম মনে নেই আজ অনেকদিন পরে সেদিকে গিয়েছিলাম সন্ধায় ছবির হাট, হেমন্তের বইমেলা, প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সব কিছু টাচ করে এসেছি প্রথম আলোর ১৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে অনেক মানুষ এসেছেন শুভেচ্ছা জানাতে অনেক দেখা অদেখা পরিচিত প্রিয়মুখদের দেখেছি, গান শুনেছি, বই কিনেছি দেশের গান, দশের গান, দেশের কথা, দশের কথা, হুমায়ূন আহমেদের কথা, গান শুনেছি বেশ ভালো লেগেছে